নিঃসঙ্গতার শূন‍্যতায় বহমান এক নারীর সত‍্য ঘটনা অবলম্বনে গল্প

By | জানুয়ারী 25, 2018

সত‍্য ঘটনা অবলম্বনে গল্প কখনোই সিনেমাটিক হয়না। কারন জীবন সিনেমা নয়। বাস্তব কে মেনে নিলে তা খুব সুখকর হয়না।  সুন্দর সুখের ভালোবাসার গল্প শুনতে ভালো লাগে সবারই। কিন্তু বাস্তব জীবনে সবাই সুখের ভালোবাসা পায়না।

কষ্টের ভালোবাসার গল্প হোক আর সুখের, সেটা যদি হয় সত্য ঘটনা অবলম্বনে গল্প তবে তা একটু ভিন্ন। গতানুগতিক গল্পের বাইরে গিয়ে তাই সত্যিকারের একজন নারীর তার জীবনের সত্য ঘটনা অবলম্বনে গল্প লিখতে আমাকে বেগ পেতে হয়েছে।

এমনি সত‍্য ঘটনা অবলম্বনে গল্প হয়ত খুব সুখকর না হলেও শক্তিশালী হয় বটে কারন তা জীবন থেকে নেয়া।

জীবন থেকে নেয়া এক নিঃসঙ্গ নারীর সত‍্য ঘটনা অবলম্বনে গল্প নিয়ে আমার এই লেখা।

“রোদেলার ভোরের গোধূলি-সত‍্য ঘটনা অবলম্বনে গল্প”

রোদেলা সিগন্যালে বসে আছে। উবারে করে নর্থ এন্ড কফি শপে যাচ্ছে। আজকে শায়ানের সাথে ওর প্রথম দেখা হবে।
শায়ান অনেকদিন থেকেই রোদেলার ফেইসবুকে আছে তবে কিছুদিন যাবত নিজেদের মাঝে অনেক কিছুই শেয়ারিং হচ্ছে মেসেঞ্জার আর ফোনে।
অবশেষে দিন দশেক কথা বলার পর তাদের মনে হলো এবার দেখা করা যেতে পারে। তাই তারা রবিবার বিকেল ৪ টায় দেখা করার সময় ঠিক করে।
 শায়ান একটা স্বনামধন‍্য এয়ার লাইন্সে কেবিন ক্রু। শায়ানের আজ ফ্লাইট নেই, আর রোদেলার শপের ও সাপ্তাহিক ছুটি। রোদেলার বিজনেস বিগত ৫ বছর ধরে, এখন রোদেলার বিজনেস অনলাইন অফলাইন সব খানে বেশ জমে উঠেছে। রোদেলা ইম্পোর্টেট কসমেটিকসের বিজনেস করে। অনেকের কাছেই খুব লোভনীয় চাকরি মনে হয়, অনেকের জন্য স্বপ্নীল জব সেক্টর।
যাইহোক, রোদেলা মনের মাঝে অনেক এলোমেলো ভাবনা নিয়ে সময়ের ২ মিনিট পরে গন্তব্য স্থলে পৌঁছে গেল।
এসে দেখলো শায়ান এসে অপেক্ষা করছে। রোদেলা শায়ানের সামনাসামনি বসলো। কফি অর্ডার করলো ২ জনে।
প্রতিটি মানুষের জীবনেই একটা ভালো মন্দ অতীত থাকে। এই দু’জন ও তার ব‍্যতিক্রম নয়।
ভালোবাসার গল্প সত্য ঘটনা
তাদের দুজনের কথাকলির মাধ্যমে আস্তে আস্তে কাছে আসার টান অনুভব করছে। রোদেলা প্রফেশনালি সাফল্য মন্ডিত, এখন স্বামী সংসারের স্বপ্নে বিভোর।
তাই আজকের এই দেখা হওয়াটা রোদেলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে রোদেলার কাছে শায়ানের কিছু ব‍্যাপার ঘোলাটে লেগেছে। তার জন্য ই দেখা করে ঘোলাটে ব‍্যাপার গুলোর পরিস্কার ধারনা প্রয়োজন পরবর্তী কি সিদ্ধান্ত নিবে।
সারা জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটা মানুষের সবকিছুর ধারনা প্রয়োজন আছে। যেহেতু তারা একে অপরকে পছন্দ করছে, সুতরাং শত ভালো লাগা থাকলেও আর কোন ভুল রোদেলা করতে চায় না। অতীতের কোন এক অজানা কারনে জীবনের প্রথম প্রেম কে বিসর্জন দিতে হয়েছে।
শায়ান: তোমার আসতে কোন প্রব্লেম হয়নি তো?
রোদেলা: নাহ্, সব ঠিক আছে আলহামদুলিল্লাহ।
শায়ান: তারপর বলো, কি প্ল‍্যান এখন? এখানে বসবে নাকি অন‍্য কোথাও যেতে চাও?
রোদেলা: এখানেই ঠিক আছি। তোমার কথা বলো, জব ফ‍্যামিলি সব ঠিক মতো চলছে?
শায়ান: জব ঠিকমতো ই চলছে, তবে…..
রোদেলা: তবে কি? ও‌ হ‍্যাঁ, তুমি যেন কি বলতে চেয়েছিলে তোমার ফ‍্যামিলি নিয়ে, কি যেন ট্র‍্যাজেডির কথা বলছিলে ফোনে? শায়ান: সেটা বলার জন্য ই তো দেখা করতে আসছি।
রোদেলা: আচ্ছা বলো, আমি শুনছি।
শায়ান: কিভাবে যে বলবো, কোথা থেকে যে শুরু করবো বুঝতে পারছি না। তুমি কিভাবে রিএ‍্যক্ট করবে তাও ভাবছি।
রোদেলা: এতো ভেবে কিছু হবে না, বলা শুরু করো যেখান থেকে ইচ্ছে।
শায়ান কিছুক্ষণ চুপ করে কফিতে চুমুক দিচ্ছে।
রোদেলা এক রাশ প্রশ্ন চোখে তাকিয়ে আছে শায়নের দিকে, অপেক্ষা করছে শায়ান কি বলবে!!!
তারপর শায়ান শুরু করলো তার অতীত বর্তমান সব কিছু একটু একটু করে।
শায়ান: আমি বিবাহিত, আমার স্ত্রী প্রেগন্যান্ট। এইটুকু শুনে প্লীজ রিএ‍্যক্ট করো না। আমি পুরোটা শেষ করি, তারপর যা বলার ইচ্ছে হয় বলো।
রোদেলা বাকরুদ্ধ হয়ে শায়নের দিকে শূন‍্যদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।
শায়ান: রোদেলা, তুমি একটু ইজি হও। নাহলে বাকী কথা বলার জন্য স্বস্তি বোধ করছি না।
রোদেলার স্বপ্নীল জগতটা ভেঙ্গে চৌচির হয়ে গেছে। তবুও স্বাভাবিক হয়ে শায়ানের কথা শুনছে।
রোদেলা: ঠিক আছে, বলো। শুনবো আজকে সব কিছু।
শায়ান শুরু করলো, “আমি আর আমার বোন, দুই ভাইবোন আর বাবা মায়ের সংসার। যদিও আমার বোনের বিয়ে হয়ে গেছে, তবুও সে আমাদের সাথে থাকছে। এর কারনটি যেকোন মেয়ের জন্য প্রচন্ড কষ্টের আর বেদনা দায়ক। আমার বোন কখনো মা হতে পারবে না।
রোদেলা: আপুর কি মেডিক্যালি কোন প্রব্লেম আছে?
শায়ান: “সে রকমই কিছু টা…. (কফিতে চুমুক দিয়ে লম্বা দম নিয়ে শুরু করলো), আমার আব্বু আম্মু দু’জনে হজ্ব করতে গেলেন। ওনারা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলেন পরবর্তী বংশধরের জন্য। জানি না তারপর কি হলো, বাবা মা হজ্ব পালন শেষে দেশে ফিরলেন। এসেই গ্রামের বাড়িতে গিয়ে আমার বিয়ের জন্য মেয়ে ঠিক করে আসলেন। এক রকম আমার মতামত ছাড়াই বিয়ে ঠিক হলো। আমার বাবা মায়ের প্রতি অন্ধ ভালোবাসার কারনে আমি আর কিছু বলতে পারিনি। সিদ্ধান্ত হলো আমার বিয়ের পর আমার সন্তান কে আপুকে দিয়ে দেওয়া হবে। মেনে নিলাম বাবা মায়ের আর আপুর সুখের জন্য। যাইহোক, বিয়ের পর আমি আমার বৌয়ের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলাম, আমার স্ত্রী ও চেষ্টা করলো আমার সাথে মানিয়ে নিয়ে সংসার জীবন শুরু করলো। কিন্তু কখনো ই আমাদের মনের মিল হয়নি।”
এইটুকু বলে শায়ান কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলো। রোদেলার প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য ওর দিকে তাকিয়ে দেখল।
কিন্তু রোদেলা ততক্ষণে পুরোপুরি শূন্য দৃষ্টিতে ওর তাকিয়ে আছে।

সত্য ঘটনা অবলম্বনে গল্প

শায়ান জিগ্গেস করলো, “তুমি কিছু বলবে না!!!”
রোদেলা: তোমার সব কিছু বলো আগে, তারপর বলবো। শেষ করো আর যা বলতে চাও।
শায়ান: ঠিক আছে, বলছি। আমাদের বংশের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমি আর আমার স্ত্রী সে চেষ্টা করতে লাগলাম। আমার স্ত্রী ও বুঝে গেছে যে আমি ওকে মন থেকে মেনে নিচ্ছি না, কিন্তু বংশের ধারা ধরে রাখতে আমি ওর সাথে একই বেডে থাকছি। একটা সময় জানতে আমার স্ত্রী কনসিভ করেছে। তারপর থেকে আমার দায়িত্ব শেষ। আমি কখনো ই নিজের মতো করে আমার স্ত্রী কে তৈরি করতে পারিনি, তাই কখনো মনে শান্তি আসেনি। এর মাঝে ই তোমার সাথে কথা পরিচিয়। তোমার প্রতি আমার মনের মধ্যে এক অন‍্যরকম অনুভূতি কাজ করে যা কখনো কারো জন্য কাজ করেনি। আমি তোমাকে আমার জীবনে আপন করে নিতে পারবো না কিন্তু তোমার জন্য আমার ভালোবাসা কেও অস্বীকার করতে পারছি না। তাই তোমাকে দেখার জন্য বার বার ছুটে গেছি তোমার বাড়ির সামনে, কখনো ফ্লাইট শেষ করে ভোরের আলো ফোটার আগে দাঁড়িয়ে ছিলাম তোমাকে কিছু মূহূর্ত দেখার জন্য। তোমার সাথের কনভারসেশন ভালো লাগে, তোমাকে দেখতে ভালো লাগে। তোমার ছোট ছোট ইচ্ছে গুলো কে নিজের করে নিতে ইচ্ছে করে।
শায়ানের কথা শেষ হওয়ার পর ওরা দুজনে অনেক্ষণ চুপ করে বসে ছিল যতক্ষণ দিনের আলোয় নিজেদের কে দেখতে পারছিলো।
তারপর রোদেলা বললো, “চলো, বাড়ি যাবো।”
শায়ান বললো, ” তোমাকে তোমার বাসায় ড্রপ করে আসি”
রোদেলা কিছুক্ষণ চুপ থেকে সায় দিলো। তারপর ওরা শায়ানের গাড়িতে উঠলো। শায়ান নিজেই ড্রাইভ করে। গুলশান হয়ে কুড়িল বিশ্বরোডের কাছাকাছি আসার পর রোদেলা হঠাৎ বলে উঠল,“শায়ান, ৩০০ ফিটের দিকে ঘুরে আসি যদি তোমার সময় থাকে।”
শায়ান কিছু না বলে রিভার্স মিররে রোদেলার চোখে তাকিয়ে ৩০০ ফিটের দিকে গাড়ি ঘুরিয়ে নিল।
রোদেলা ছোট্ট এই অনুভূতি মনের মাঝে আজীবন স্বপ্ন দেখে আসছে। কিছুক্ষণ পর পর দুজনে দুজনের চোখে তাকিয়ে থাকে রিভার্স মিররের।
প্রায় সপ্তাহ তিনেক তাদের এমন ভাবে চললো। যখনই একটুখানি সময় পায় দুজনে চলে যায় ৩০০ ফিটের যেকোন রেস্টুরেন্টে। রোদেলা কেমন যেন ঘোরের মাঝে আটকে আছে, সময় কেটে যাচ্ছে আর শায়ান ওর ফ‍্যান্টাসী জগতের মানুষ টি হয়ে যাচ্ছে।
প্রতিদিন শায়ানের সাথে দেখা করে বাসায় আসার পর কিছুই মেলাতে পারছে না। রোদেলা বুঝতে পারছে ও যা করছে তা কি ঠিক হচ্ছে!!!
রোদেলা আস্তে আস্তে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তলিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু নিজের ভালো লাগার কাছে প্রতিনিয়ত হেরে যাচ্ছে।
এর মাঝে রোদেলা শায়ানের ফ‍্যামেলির সবার সাথে পরিচিত হলো।
কিন্তু যখন রোদেলা শায়ানের স্ত্রীর সাথে কথা বললো, তখন ওর ঘোর কেটে গেল। রোদেলা বুঝতে পারছে ভয়ানক অন্যায় করছে।

সেই মেয়েটি 

নারীর সত্য ঘটনা নিয়ে গল্প

পরের দিন রোদেলার সব চেয়ে ভালো বন্ধু আরেফিনের সাথে সব শেয়ার করলো। আরেফিন আরো ভালো মত বুঝিয়ে দিল, যা ঘটছে তা অনেকগুলো মানুষের জীবনে অশান্তি ডেকে আনছে।
রোদেলা আরেফিনের সাথে কথা বলার পর ওর মনে অনেকগুলো প্রশ্ন আসলো যা শায়ানের কাছ থেকে উত্তর জানতে হবে।
রোদেলা নিজের মনকে শক্ত করলো। ও আর ভুলের মাঝে হাজার টা রঙিন স্বপ্ন দেখতে চায় না। জীবনের এই ছয় সপ্তাহের অধ‍্যায়ের পরিসমাপ্তি টানতে হবে।
শায়ানের মুখোমুখি হতে হবে অনেকগুলো প্রশ্ন নিয়ে আর সেগুলোর যথাযথ উত্তর দিতে হবে শায়ান কে। রোদেলা আর অনুতাপের আগুনে পুড়তে চায় না সে দেখতে চায় শায়নের মনে কোন অনুশোচনা কাজ করে কিনা প্রশ্ন গুলো জিগ্গেস করার পর।
রাত প্রায় দেড় টা, রোদেলার মাথায় অনেক গুলো প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে যেগুলো কালকে শায়ান কে ওর সামনে বসে জিগ্গেস করবে। রোদেলা ভাবছে ও নাহয় সিঙ্গেল বলে শায়খনের সাথে জড়িয়ে পড়ল। কিন্তু শায়ান!!! কিভাবে তার সহজ সরল স্ত্রীর জীবন টাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে??? শায়ান যদি ওর স্ত্রীর সাথে এডজাস্ট নাই করতে পারল, তাহলে কনসিভ করালো কেন!!! শুধু মাত্র নিজেদের বংশ ধারা রক্ষা করার জন্য একটি মেয়ের জীবনকে ধ্বংস করে দিচ্ছে??? শায়ানের বাবা মা কীভাবে নিজেদের স্বার্থের জন্য অন‍্যের মেয়েকে বলি দিচ্ছে!!! উনারা কি কখনও ভেবে দেখেছেন যে তাদের মেয়ের জীবনেই যদি একই ঘটনা ঘটত, তাহলে তাঁরা কীভাবে মেনে নিতেন!!!
শায়ান রোদেলার ফেইসবুকে এতদিন ধরে ছিল, কখনও এতো কথা হয়নি।
কিন্তু ওর স্ত্রী কনসিভ করার পর কীভাবে অন‍্য মেয়ের সাথে প্রেমে জড়িয়ে পড়ল!!! শায়ান কি নিজের ফিজিক্যাল ডিমান্ড ফুলফিল করার জন্য ওর সাথে এনগেজড হয়েছে!!! মানুষের নৈতিক অবক্ষয় আর অধঃপতন এভাবেই কি শুরু হয়!!!

 ভালোবাসার কষ্টের গল্প

রোদেলা আর ভাবতে পারছে না। শায়ান যখন এসব কথা বলেছিল, তখন ওর জন্য মায়া তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এখন কেন যেন মেনে নিতে পারছেনা।
অনেক ভয়ংকর একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গেছে নিজের অজান্তেই। রোদেলা আসলেই নিজের কথা ই ভেবেছে, নাহলে এই প্রশ্ন গুলো তখনই কেন ওর মনে আসলো না!!! দেরিতে হলেও রোদেলা নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে।
রোদেলার এখন একটাই চাওয়া, যেভাবে হোক শায়ান কে ওর স্ত্রীর কাছে ফেরত পাঠাতে হবে। শায়ান যেন নিজের ভুল স্বীকার করে ওর স্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে স্ত্রীর পূর্ণ মর্যাদা দিতে পারে।
আল্লাহ্ র কাছে রোদেলা একটাই প্রার্থনা করছে যেন শায়ান এবং ওর ফ‍্যামিলি শায়নের স্ত্রী কে সারা জীবন পূর্ণ মর্যাদা দিতে পারে এবং তার হক আদায় করতে পারে।
তাহলে ই রোদেলাকে নিজেকে ক্ষমা করতে পারবে। শায়ান যদি সত্যিই ওকে ভালোবেসে থাকে, তাহলে ওর ভালোবাসার বিনিময়ে এইটুকু চাইবে।
রোদেলা ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলো ভোর সাড়ে পাঁচটা।
রোদেলা জানালা দিয়ে তাকিয়ে আছে নতুন এক সূর্যোদয়ের অপেক্ষায়।
যেখানে একটি মানুষের অধিকারের জন্য নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা টুকু করবে মহান সৃষ্টিকর্তার পরম করুণা আর অসীম দয়ার সহায়তায়।
ভোরের আলো ফুটছে, সে আলোতে রোদেলা নিজের হাত দুটো মেলে ধরলো। আহ্ কি শান্তি!!! আনন্দ আর বেদনার অনুভূতি যুগপৎভাবে মনের মাঝে বেজেই চলেছে উদ্দেশ্যহীন ভাবে মনের গহীনে……

 

যেহেতু সত‍্য ঘটনা অবলম্বনে গল্প তাই শেষ পর্যন্ত হয়ত ‘হেপি এন্ডিং’ পাওয়া যাবেনা।

কারো জীবন নিয়ে লিখতে গেলে অনেক ভেবেচিন্তে লিখতে হয়।

বানানো ঘটনা রাতারাতি লেখা যায়। কিন্তু কারো সত্যিকারের জীবনের ঘটনা লিখতে বসলে রাত পার হয়ে যায় কিন্তু কলম আগায় না।

সত‍্য ঘটনা অবলম্বনে গল্প টি পড়ে কোন জিজ্ঞাসা থাকলে কমেন্টে লিখতে পারেন।

Share This!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।