SEO কি? বেসিক সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন ৫ টি উপায়ে

By | ডিসেম্বর 16, 2017

বেসিক সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও ( SEO ) অপরিহার্য। প্রাথমিক এসইও জ্ঞান থাকাটা জরুরী। SEO কি ?

এসইও আপনার ওয়েবসাইটকে কিছু সুনির্দিষ্ট কিওয়ার্ড (Keyword) এর বিপরীতে সার্চ ইঞ্জিনকে সাহায্য করবে যখন উক্ত কিওয়ার্ড ব্যবহার করে মানুষ কোন তথ্য সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করবে।

সার্চ ইঞ্জিন কি  

সার্চ ইঞ্জিন হলো বিশাল একটি তথ্য ভান্ডার যার ভেতরে সকল ওয়েবসাইটের তথ্য ইনডেক্স করা থাকে।

এই সকল ওয়েবসাইট এর তথ্য সার্চ ইঞ্জিন একটি ফর্মুলা বা এলগরিদম ব্যবহার করে ইউজারের সামনে হাজির করে।

ইন্টারনেটে মানুষ কোন তথ্য খুজে পেতে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে।

বর্তমান দুনিয়ায় সার্চ ইঞ্জিন গুলোর মধ্যে একক আধিপত্য বিস্তার করে আছে গুগল। তারপর আছে বিং। গুগল র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর এর সহায়তা পেতে হলে SEO কি জানতে হবে।

SEO কি - কিভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন করা যায় বাংলা

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা SEO কি এবং কিভাবে করতে হবে

অনলাইন ভিত্তিক বাণিজ্য এখন খুব লাভজনক। কারন মানুষ সারা দিনের মধ্যে কমপক্ষে ৩-৫ ঘন্টা ইন্টারনেটে সময় দেয়। এই সময়ের মধ্যে মানুষের কাছে আপনার তথ্য বা প্রোডাক্ট পৌঁছানোর একমাত্র উপায় হলো অনলাইন বিজনেস। এই অনলাইন বিজনেস করতে গেলে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন বা এসইও কে অবজ্ঞা করার অবকাশ নেই। SEO কি, জানা থাকা অগ্রগামী।

ধরুন, আপনি একটি ফ্যাশন হাউজ খুলেছেন। ডিরেক্ট কাস্টোমার ভালো পাচ্ছেন। অনলাইন কাস্টোমার গুলো কেন হারাচ্ছেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে আপনার অনলাইন ভিত্তিক ফ্যাশন হাউজ  এর দরজা খুলে রাখতে হবে।

অনলাইন ভিত্তিক একটি ওয়েবসাইট খুলে আপনি আপনার ফ্যাশন আইটেম/প্রোডাক্ট গুলো ওয়েবসাইটে দিলেন।

কাস্টোমার অনলাইনে সার্চ করে আপনার ওয়েবসাইট তখনি পাবে যখন সার্চ ইঞ্জিন জানবে ঐ প্রোডাক্ট আপনার ওয়েবসাইটে আছে।

এখন প্রশ্ন হলো সার্চ ইঞ্জিন কে কিভাবে জানাবেন? এইখানেই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও এর আসল কাজ। জানতে হবে SEO কি ?

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান কত প্রকার হয়

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন ২ প্রকার

১। হোয়াইট হ্যাট এসইও বা লিগ্যাল এসইও

যখন সার্চ ইঞ্জিনের সকল শর্ত মেনে সঠিকভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও করা হয় তখন তাকে হোয়াইট হ্যাট এসইও বলে।

SEO কি -এসইও বেসিক টিপস বাংলা

২। ব্ল্যাক হ্যাট এসইও বা ইলিগ্যাল এসইও

সার্চ ইঞ্জিনের শর্তের বাইরে গিয়ে ইলিগ্যাল পথে যখন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও প্র্যাকটিস করা হয় তখন তাকে ব্ল্যাক হ্যাট এসইও বলে।

ব্ল্যাক হ্যাট এসইও খুব কম সময়ে আপনাকে সার্চ রেজাল্টের প্রথমে নিয়ে আসবে কিন্তু সেটা দীর্ঘস্থায়ী নয়।

সার্চ ইঞ্জিন বুঝে ফেললে পেনাল্টি খেতে হবে। ব্ল্যাক হ্যাট এসইও প্র্যাকটিসের কারণে সাইট আজীবনের জন্যে নিষিদ্ধ হতে পারে।

হোয়াইট হ্যাট SEO কি সেটা জানাই আমাদের মুল লক্ষ্য।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন : SEO কি

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন একটি বিশাল ও সময়সাপেক্ষ প্র্যাকটিস। হোয়াইট হ্যাট এসইও করে তার ফলাফল পেতে হলে আপনাকে নুন্যতম ৬০-৯০ দিন অপেক্ষা করতে হবে।

তাড়াহুড়া করে কোন কাজ হবেনা। সার্চ ইঞ্জিন কে যখন ভালোভাবে অপ্টিমাইজ করা হবে কেবল তখনি সার্চ রেজাল্টে আপনি আপনার পরিশ্রমের ফসল দেখতে পারবেন। বেসিক সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর জন্যে নিচের ধাপ গুলো ফলো করুনঃ

১। আপনার ওয়েবসাইট কাঠামো  

SEO কি জানার পর, এসইও প্র্যাকটিস শুরুর আগে ওয়েবসাইট কাঠামো ঠিক করে নিন।

এসইও ফ্রেন্ডলি (Content Management System-CMS) প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন যেমন ওয়ার্ডপ্রেস।

ওয়ার্ডপ্রেস সেটাপের পর ইউনিক কিছু কন্টেন্ট দিন। কন্টেন্ট বা আর্টিকেল লেখার সময় কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবেঃ

  • কিওয়ার্ড রিসার্চ

    কিওয়ার্ড এসইও এর মূলমন্ত্র। আপনার কিওয়ার্ড রিসার্চ ভালো নাহলে কখনোই এসইও রেজাল্ট পাবেনা। কিওয়ার্ড রিসার্চ এর জন্যে গুগল কিওয়ার্ড প্ল্যানার টুল ব্যবহার করতে পারেন। এটি একদম ফ্রি।

  • লেখা কপি হওয়া যাবেনা- আপনার আর্টিকেল ইউনিক হতে হবে। কপি করা আর্টিকেল হলে গুগল পেনাল্টি দিবে। সাইট তো র‍্যাঙ্ক করবেই না বরং আজীবনের জন্যে নিষিদ্ধ হতে পারে আপনার সাইট।
  • হেডার H1-H6 ব্যবহারঃ লেখার সময় H1 হেডার একবার ই ব্যবহার করুন।
  • আর্টিকেল এর মুল বিষয় H1 এ দিন।
  • ইমেজ Alt Tag: ইমেজ এ ক্যাপশন না দিলেও Alt Tag দিতে ভুলবেন না। সার্চ ইঞ্জিনের বট বা রোবট ইমেজ এর Alt Tag রিড করে অন্য কিছু না। ছবি লোড হতে সময় লাগলে Alt Tag এর টেক্সট দেখা যায় যার ফলে ইউজার ধারণা পায় ছবিটা কিসের।
  • কপিরাইট আইটেম পরিহার ঃ মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের SEO কি? কিভাবে কাজ করে?ক্ষেত্রে কপিরাইট আইটেম এড়িয়ে চলুন। লোগো সহ কোন ছবি দেয়া যাবেনা। যদি দেন তাহলে তার কপিরাইট উল্লেখ করতে হবে।
  • আর্টিকেল সাইজঃ এই বিষয়টা একটু চিন্তা করে নিবেন। রিসার্চ করবেন আপনার কম্পেটিটর একই বিষয়ে কত শব্দের আর্টিকেল লিখছে। যদি আপনার কম্পেটিটর এর আর্টিকেল ৮০০ শব্দের হয়, আপনি ১০০০ শব্দের আর্টিকেল প্রকাশ করবেন।

আর্টিকেল লেখা হলে চেক করে পাবলিশ করুন। এইবার সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার আর্টিকেল শেয়ার করুন।

Facebook, Google+, Twitter, Pinterest ইত্যাদি যত বেশি শেয়ার দিতে পারেন।

মনে রাখবেন সোশ্যাল শেয়ার সার্চ ইঞ্জিন এ বিশেষ প্রাধান্য পায়। গুগল র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর হিসেব মতে এটা বিরাট একটা অংশ।

২। সার্চ ইঞ্জিন কি পছন্দ করে জানতে হবে

সার্চ ইঞ্জিনের এলগরিদম সম্পর্কে একটু বুঝে নিতে হবে। SEO কি ? এটা জানতে হলে সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে খানিকটা জানা আবশ্যক।

Google, Bing বা Yandex সার্চ ইঞ্জিন গুলো সাধারণত কিছু কমন জিনিস এর উপর নির্ভর করে সাইট র‍্যাঙ্ক করায়ঃ

  • কন্টেন্টঃ সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য কন্টেন্ট। আপনার কন্টেন্ট যদি ইউজারের সার্চ করা প্রশ্নের উত্তরের সাথে না মিলে সার্চ ইঞ্জিন তা দেখাবেনা। কন্টেন্ট এর বিষয়বস্তু ক্লিয়ারলি উপস্থাপন করতে হবে। লেখা গুছিয়ে লিখতে হবে। আর্টিকেল লেখার সময় মাথায় রাখতে হবে, এই লেখা মানুষের জন্যে, সার্চ ইঞ্জিনের রোবটের জন্যে না।
  • সাইট স্পীডঃ আপনার সাইট স্পীড ভালো হতে হবে নাহলে সার্চ ইঞ্জিন তা প্রাধান্য দিবেনা। সার্চ ইঞ্জিন দ্রুত লোড হওয়া সাইট গুলো কে প্রাধান্য দেয়।
  • ব্যাকলিংকঃ এসইও ভালো করতে হলে ভালো ব্যাকলিংক দরকার। আপনার লেখা ভালো হলে ভালো কোন সাইট আপনাকে ব্যাকলিংক দিবে যার ফলে সার্চ ইঞ্জিনের চোখে আপনার র‍্যাংক বাড়বে।
  • সাইট নেভিগেশনঃ আপনার সাইট ব্যবহার করা কতটা সহজ তার উপর আপনার সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নির্ভর করে। সিম্পল ওয়েবসাইট সাথে ভালো কন্টেন্ট সহজেই এসইও তে ভালো করে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বেসিক

৩। সার্চ ইঞ্জিন কি অপছন্দ করে জানতে হবে

  • ঘন ঘন কিওয়ার্ডঃ বার বার কিওয়ার্ড ব্যবহার করা কিওয়ার্ড স্প্যাম এর মত। সার্চ ইঞ্জিন কিওয়ার্ড স্প্যাম পছন্দ করেনা।
  • ব্যাকলিংক ক্রয়ঃ ব্যাকলিংক কেনাবেচা সার্চ ইঞ্জিন পছন্দ করেনা। কারন আপনার তখনই ব্যাকলিংক কেনার প্রয়োজন হবে যখন আপনার কন্টেন্ট শক্তিশালী নয়।
  • বাজে সাইট নেভিগেশনঃ সাইটে বেশি অ্যাড ব্যবহার করা।
  • অপ্রাসঙ্গিক কথা বার বার বলা, মুল কথা না বলে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে আর্টিকেল লম্বা করা।এইসব বাজে সাইট নেভিগেশনের মধ্যে পরে।

যখন সাইট নেভিগেশন খারাপ হয় তখন আপনার বাউন্স রেট বেড়ে যায়।

ভিজিটর সাইটে এসেই বেরিয়ে যায়, যা সার্চ ইঞ্জিন অত্যন্ত অপছন্দ করে।

৪। মাল্টি চ্যানেল ব্যবহারঃ

সোশ্যাল মিডিয়া প্রসঙ্গ আবারো। সার্চ ইঞ্জিন এলগরিদম সোশ্যাল মিডিয়া লিংক প্রাধান্য দেয়।

যার ফলে আপনার সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আরো শক্তিশালী হবে যদি নিচের সোশ্যাল মিডিয়া গুলো ব্যবহার করেন।

  • ফেসবুক
  • টুইটার
  • লিংকডইন
  • পিন্টারেস্ট
  • ই-মেইল

৫। ইউআরএল কন্টেন্ট সাদৃশ্য

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর রেজাল্ট, আর্টিকেল এর URL (Uniform Resource Locator) এর উপর অনেকাংশে নির্ভর করে।

কন্টেন্ট এর মুল কিওয়ার্ড ইউআরএল এর ভিতরে থাকলে তা সার্চ ইঞ্জিনের বিশেষ সিগন্যাল দেয়। যার ফলে এসইও ভালো হয়।

যেমনঃ আপনার কন্টেন্ট ‘cat lover’ নিয়ে। এখন নিচের ২ টি ইউআরএল দেখুন

  1. https://www. ursite. com/cat-lover-bd
  2. https://www. ursite. com/category/animal/010117/cat-lover-bd

২টি ইউআরএল এর মধ্যে প্রথমটি সার্চ ইঞ্জিনের বেশি ইম্প্রেশন পাবে।

কারন ইউআরএল কন্টেন্ট এর সাথে বেশি সাদৃশ্য এবং হোম পেইজ থেকে নিকটে।

নিচের ছবিটি দেখুন। পোস্টটি করা হয়েছিলো নভেম্বর মাসে। ডিসেম্বর শেষ দিকে আসার পর গুগল পোস্ট টিকে সার্চ রেজাল্টের প্রথমে নিয়ে আসে।

এসইও-ফলাফল-মাত্র ৩০ দিনে

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ফলাফল মাত্র ৩০ দিনে

আপনি ভালোভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করলে ৩০-৬০ দিনের মধ্যে তার রেজাল্ট দেখতে পারবেন। উপরের ছবিটি আরো বিস্তারিত দেখলে আপনাদের ধারণা পরিষ্কার হবে।

  • কিওয়ার্ড নির্বাচন

সঠিক কিওয়ার্ড সিলেক্ট করা এবং তা অপ্টিমাইজ করাটা হলো আসল কাজ। ধরুন নিচের ছবিটি।

“পাখি পালন” নিয়ে যত মানুষ সার্চ করবে তারা ‘আমার কথা’ পোর্টাল পাবে গুগলের সার্চ পেইজের প্রথমেই।

আসুন বিস্তারিত জানি কিভাবে হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।

এসইও-করে-আপনার-সাইট-গুগলের-প্রথমে-নিয়ে-আসুন.jpg

  • কিওয়ার্ড  H1 হেডিং এ

আপনার টার্গেট কিওয়ার্ড অবশ্যই H1 হেডারে থাকতে হবে।

পুরো পোস্ট বা আর্টিকেলে মূল কিওয়ার্ড ২.৫% এর বেশি হওয়া যাবেনা। তাহলে কিওয়ার্ড স্পামিং হবে যা গুগল অপছন্দ করে।

কিওয়ার্ড নিয়ে চিন্তায় পড়ার কিছু নেই। আপনি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট বানিয়ে থাকলে আপনি ‘Yoast SEO’ ব্যবহার করতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল এবং প্লাগিন সেটাপ নিয়ে আমাদের পোস্টটি পড়ে নিন।

  • কিওয়ার্ড মেটা ডেসক্রিপশন এ 

মেটা ডেসক্রিপশন এ মূল কিওয়ার্ড রাখবেন। তবে তা যেন হয় ন্যাচারাল। কারন মেটা ডেসক্রিপশন দেখেই ভিজিটর আপনার সাইটে ক্লিক করবে।

  • Structured Data/Rich Snippet

স্ট্রাকচারড ডাটা বা রিচ কার্ড এর জন্যে ওয়ার্ডপ্রেস এসইও স্কিমা ব্যবহার করতে পারেন।

  • পোস্ট আপডেট

মনে রাখবেন আপনার পোস্ট যত আপডেট থাকবে ভিজিটর আপনার লিংক এ ততটাই ক্লিক করতে চাইবে বেশি।

কারন সবাই নতুন পোস্ট পছন্দ করে। আপনার ওয়েবসাইটের CTR বেড়ে যাবে দ্রুত।

পাখি পালন নিয়ে ৩ বছর আগের পোস্ট সার্চ র‍্যাঙ্কিং এ পিছিয়ে পড়বে কারন ৩ বছরের মধ্যে আর নতুন কোন পদ্ধতি এসে থাকলে তা সেই পোস্ট এ নেই।

গুগল সার্চ র‍্যাংকিং এর নতুন আপডেট হিসেবে ইতিমধ্যে গুগল বলেছে গুগল এখন র‍্যাঙ্ক ব্রেইন ব্যবহার করে সার্চ র‍্যাঙ্কিং দাড়া করায়।

 

আরো ডিটেইলস এডভান্স সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা SEO কি, নিয়ে আলোচনা আমাদের পরবর্তী পোস্ট গুলো তে পাবেন।

কোন তথ্য বা পরামর্শের জন্যে কমেন্ট করুন অথবা ইমেইল করুন admin@amarkotha-bd.com

Share This!

One thought on “SEO কি? বেসিক সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন ৫ টি উপায়ে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।